February 23, 2024, 9:56 am

নোটিশ:

জরুরি ভাবে প্রতি জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক নিয়োগ চলচ্ছে আগ্রহী হলে ০১৮১৩৮৭৭৪০২ হোয়াটসঅ্যাপ এ যোগাযোগ করুন।

সংবাদ শিরোনাম :
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীয় মেয়র হচ্ছেন শায়লা পারভীন দাউদকান্দি পৌরসভা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাণীশংকৈলে কোচের ধাক্কায় ভ্যান চালক গুরুতর আহত রাণীশংকৈলে জাতীয় শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত বাগমারার তালতলী বাজার জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এমপি আবুল কালাম আজাদ নাসিরনগরে “অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস” পালিত ভাষা শহীদদের স্মরণে এমপি আবুল কালাম আজাদের শ্রদ্ধা নিবেদন ২১ শে ফেব্রুয়ারি’র প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এমপি আবুল কালাম আজাদ রাণীশংকৈলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করেন বাবর আলী নাসিরনগর উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা
অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছি

অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছি

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন। এই বিজয় জনগণের বিজয়। এটা আমার বিজয় নয়। এই নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা ও জনগণের অধিকার সুরক্ষিত হয়েছে। মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করাই ছিল আমাদের লক্ষ্য, সেটি আমরা করতে পেরেছি। নির্বাচনটা যে অবাধ, সুষ্ঠু হতে পারে, সেই দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে পেরেছি। তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে বারবার হামলার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার চলার পথ কখনো সহজ ছিল না। অনেকবার আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। আমি মুখোমুখি মৃত্যুকে দেখেছি। কখনো গুলি, কখনো বোমা হামলা, কখনো গাড়িতে হামলা। আমি যখন শান্তি র‌্যালি করছি তখন গাড়িতে গ্রেনেড হামলা করা হয়। আমার দলের নেতাকর্মীরা আমাকে রক্ষা করে মানবঢাল রচনা করে। অনেকে জীবন দেয়। জনগণের কথা বলতে গিয়ে অনেকবার গ্রেফতার হয়েছি, বন্দি হয়েছি। তবুও আমি দমে যাইনি।

সোমবার বিকালে গণভবনে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের একদিন পরই সোমবার দেশি-বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক, সিনিয়র সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে যাওয়া বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। গণভবনের সবুজলনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি ঘুরে ঘুরে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র রাদওয়ান সিদ্দিক ববিসহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতেই বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য প্রধানমন্ত্রী নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনাদের (বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক) আগমনের কারণে আমাদের দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার আরও সুরক্ষিত হয়েছে। আপনারা যার যার দেশে ফিরে গিয়ে বাংলাদেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর। আবহাওয়াও অনেক ভালো। আপনাদের আগমন আমাদের দেশের গণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থাকে আরও মজবুত করবে, শক্তিশালী করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

গণতন্ত্রের জন্য এটা অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা : শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমি মনে করি আমাদের দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য এটা অত্যন্ত যুগান্তকারী ঘটনা। আমি অনেকবারই নির্বাচন করেছি। সেই ১৯৮৬ সাল থেকে আটবারই আমার নির্বাচন করা হয়ে গেছে। তবে এত মানুষের আগ্রহ আগে দেখিনি। তার সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশনের নানা সংস্কারের কথা তুলে ধরে সরকারপ্রধান বলেন, সব সময় এটাই চেষ্টা ছিল নির্বাচন সুষ্ঠু করা, মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা। অর্থাৎ মানুষ যাতে তার পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে পারে, সেজন্য নির্বাচনের সিস্টেমকে সংস্কার করেছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন চলাকালীন প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সবাই নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ থেকে মানুষের ভোটের অধিকার নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাজ করেছে। আপনারা দেখেছেন একটি দল হয়তো অংশগ্রহণ করেনি। কারণ তারা কখনোই নির্বাচন করতে চায় না। সে দল মিলিটারি ডিক্টেটরের হাতে তৈরি। ফলে তারা নিজেরা চলতে পারে না, নিজেদের জনসমর্থন থাকে না। সেজন্য নির্বাচনকে ভয় পায়। তিনি বলেন, আমাদের দল জনগণের দল, এবার নির্বাচনে জনগণ ভোট দিয়েছে, নির্বাচিত করেছে। আমাদের অনেক স্বতন্ত্রও নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদলগুলোরও বেশকিছু নির্বাচিত হয়েছেন।

সংসদীয় দলের নেতা সংসদ-সদস্যরা নির্বাচিত করবেন : শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন হয়ে গেছে, এখনো গেজেট হয়নি। তাই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। সম্পূর্ণ ফলাফল এলে গেজেট হবে, তখনই শপথ হবে। এরপর আমাদের সংসদীয় দলের বৈঠক করতে হবে। সেখানে সংসদীয় দলের নেতা কে হবে সেটা নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচিত সংসদ-সদস্যরা সেটা নির্বাচিত করবেন। মেজরিটি পার্টি যাকে নির্বাচিত করবেন তিনিই হবেন সংসদীয় দলের নেতা, তখন সরকার গঠন করতে রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে হবে, সরকার গঠন হবে। এটাই সাংবিধানিক প্রক্রিয়া, সেই অনুযায়ী করতে চাচ্ছি।

লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা : সরকার গঠনের পর সরকারের অগ্রাধিকার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে। ২০২৬ সালে যার যাত্রা শুরু হবে। এখানে যেমন অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, তেমনি বেশকিছু সুযোগ-সুবিধাও পাব। ইতোমধ্যে আমরা কীভাবে কাজ করব, সে প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছি। কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ দেশে কোনো ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না, সবার জন্য ঠিকানা করে দেব। বিদ্যুতের আলো প্রতিটি মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি, তা অব্যাহত রাখতে টেকসই বিদ্যুৎব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। এখন ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা। যেখানে সরকার, অর্থনীতি, সমাজ সবই হবে উন্নত স্মার্ট। দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে হবে। এসব কাজ করব। দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে বন্ধুপ্রতিম দেশ ও সহযোগী সংস্থাগুলো থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে এটাই চাই।

চলার পথ সহজ ছিল না : রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম এবং ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা তুলে ধরেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আটবার নির্বাচন করেছি। এবার আবার। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তিনি বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। ওই সময় জার্মানিতে থাকায় আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক স্বৈরাচাররা আমাকে দেশে আসতে দেয়নি, ছয় বছর আমাদের বিদেশে রিফিউজি হিসাবে কাটাতে হয়েছে। তখন খুব কষ্টকর জীবন ছিল। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে।

বিএনপি সন্ত্রাসীদের দল : বিরোধী দলের অংশগ্রহণ না করায় গতিশীল গণতন্ত্র থাকবে কি না-বিবিসির এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নিজেদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার আছে। কোনো দল যদি নির্বাচনে অংশ না নেয়, তার মানে এই নয় যে দেশে গণতন্ত্র নেই। আপনাকে বিবেচনা করতে হবে মানুষ অংশ নিয়েছে কিনা। আপনি যে দলের (বিএনপি) কথা বলেছেন তারা আগুন দেয়, মানুষ হত্যা করে। কিছুদিন আগে ট্রেনে আগুন দিয়ে মানুষ মেরেছে। এটা কি গণতন্ত্র? এটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। তারা রাজনৈতিক দল নয়, সন্ত্রাসী দল। দেশের মানুষ এটা গ্রহণ করে না। এ ধরনের ঘটনা এ দেশে একাধিকবার ঘটেছে। আমরা ধৈর্য দেখিয়েছি। মানুষের অধিকারকে রক্ষা করতে হবে।

আপনি ব্যর্থ হলে তার জন্য কে দায়ী : ভারতের টেলিগ্রাফের সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল-নির্বাচন শেষ হয়েছে। আপনি যখন গণতন্ত্রের কথা বলছেন, তখন আপনার বিরোধী দলের প্রয়োজন হবে। এ ব্যাপারে আপনি কী ভাবছেন? জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি কি চান আমি একটি বিরোধী দল গঠন করি? আমি তা করতে পারি? আমি নিজেও বিরোধী দলে ছিলাম দীর্ঘ সময়। আমরা আমাদের দল গঠন করেছি। বিরোধীদেরও তা করতে হবে। আপনি যদি তা করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তার জন্য কে দায়ী?

আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ : বিদেশি পর্যবেক্ষকদের একজন বলেন, নারী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে আপনি পাঁচবার ক্ষমতায় এলেন। এর মাধ্যমে আপনি ইন্দিরা গান্ধী, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে, চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা, বেনজীর ভুট্টো, গোল্ডমেয়ার ও মার্গারেট থ্যাচারকে ছাড়িয়ে গেছেন। আপনার এই বিজয় উদযাপনের অংশ হিসাবে আপনি ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমা করার কথা বিবেচনা করবেন কি না?-জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যখন দেশ পরিচালনা করছেন, তখন আপনি নারী নাকি পুরুষ এটা নিয়ে ভাবা উচিত নয়। আমি আমার দেশের মানুষের জন্য কাজ করেছি। নারী হিসাবে আমি জনগণকে মাতৃস্নেহের সঙ্গে দেখি। আপনি যে নারী নেত্রীদের নাম নিয়েছেন তারা মহান ছিলেন। আমি তাদের মতো নই। আমি একজন খুব সাধারণ মানুষ। তবে আমি সব সময় মানুষের প্রতি আমার কর্তব্যের কথা অনুভব করি। আমাকে তাদের সেবা করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। কারও সঙ্গে আমাদের ঝগড়া নেই। কারণ আমরা দেশকে উন্নত করতে চাই।

ড. ইউনূসের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, শ্রম আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। তিনি তার নিজের কোম্পানির যাদের বঞ্চিত করেছেন তারাই মামলা করেছেন। তিনি শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছেন। এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নেই। তাই তাকে ক্ষমা করার প্রশ্ন আমার কাছে আসা উচিত নয়। তার নিজের কোম্পানির কর্মচারীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি।

প্রতিবেশী হিসাবে ভারতের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে : ভারতীয় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের মহৎ বন্ধু। ১৯৭১ সালে তারা আমাদের সমর্থন করেছে। পঁচাত্তরের পর তারা আমাকে ও আমার বোনকে আশ্রয় দিয়েছে। ঘরের পাশের প্রতিবেশী হিসাবে ভারতের সঙ্গে আমাদের অনেক সমস্যা থাকলেও আমরা তা দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করেছি। প্রতিবেশী হিসাবে তাদের সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। অন্যান্য দেশের সঙ্গেও আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে।

আগামী পাঁচ বছর বহির্বিশ্বের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক প্রত্যাশা করছেন, এই প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, আমি আগেও বলেছি অর্থনৈতিক উন্নতি, মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে আমরা সব ধরনের কাজও শুরু করেছি। এটা আমরা পূরণ করতে চাই।

আমাদের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই : যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কম ভোট পড়ার ব্যাপারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে করণীয় নিয়ে মার্কিন একজন পর্যবেক্ষকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এটা এখন আপনাদের সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন........




© All rights reserved © ২০২০ আলোকিত ভোরের বার্তা
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com